ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানা ও উপজেলা পরিষদ চত্বরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। দুপুর ১২টা ৪৫ থেকে ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত আধাঘণ্টার মধ্যে ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ ও থানা চত্ত্বরে এ তাণ্ডব চলে।
অন্যদিকে ভাঙ্গা থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশের তিনটি গাড়ি ও একটি বড় রিজার্ভ ভ্যান ভেঙে দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া হয়। থানা প্রাঙ্গণে অন্তত চারটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় থানার ব্যানার ও ভবনের কাচও।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রোকিবুজ্জামান।
ভাঙ্গা থানা ভবনে অবস্থানরত ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আব্দুল জলিলের বক্তব্য জানতে চেয়েও জানা যায়নি। ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানও এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি।
তিনি বলেন, হামলার সময় আন্দোলনে বাধা দেয়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রসঙ্গত, ফরিদপুর-৪ আসন থেকে আলগী ও হামিরদী নামে দুটি ইউনিয়ন কেটে নিয়ে ফরিদপুর-২ আসনে সংযুক্ত করার প্রতিবাদে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা আসনগুলোর পূর্বের অবস্থা বহাল চান। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রোববার থেকে টানা তিন দিন মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সোমবার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি চলছে। বেলা ১১টা থেকে ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা।