ডেস্ক রিপোর্ট : প্রয়াত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা Bangladesh Jamaat-E Islami – Its History and Politics বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের অধ্যাপক মুশতাক খান।
অনুষ্ঠানে আইনজীবী, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। আলোচনায় ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইসলামের বিকাশ এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা উঠে আসে।
বক্তারা ইসলাম, গণতন্ত্র ও রাজনীতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান এবং এ নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিতর্কের বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পায়।
বইটিতে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ইতিহাস, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিকাশে দলটির ভূমিকা এবং সময়ের সঙ্গে এর রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন পর্যালোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯৭১ সালের ঘটনাবলি ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ঐতিহাসিক বিতর্কের নিষ্পত্তি, কাঠামোগত সংস্কার এবং উদার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মুসলিম রাজনৈতিক ধারার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ও লেখায় উঠে এসেছে।
অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন বক্তারা। তাঁরা তাঁকে আইনজীবী, লেখক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে স্মরণ করেন। তাঁর দুই ছেলে ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক ও ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক বাবার জীবন, ব্যক্তিত্ব ও পারিবারিক স্মৃতি তুলে ধরেন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, Bangladesh Jamaat-E Islami – Its History and Politics বইটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, ধর্ম ও রাজনৈতিক আন্দোলনের সম্পর্ক এবং কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনায় অবদান রাখবে।
ব্যারিস্টার সাইয়েদ আফজাল জামির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুরমা পত্রিকার সাবেক সম্পাদক ও লেখক ফরিদ আহমেদ রেজা, আইনজীবী তালহা জামিল, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও দেশ পত্রিকার সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, আজিজুর রহমান, লেখক মঈনউদ্দীন চৌধুরী এবং ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক ও ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিচারক মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ড. আব্দুল বারী, ড. শাহাদাত হোসাইন, ড. কামরুল হাসান, শাহ আলম, বেলাল হোসেন, ব্যারিস্টার ইকবাল হোসেন, ব্যারিস্টার আলিমুল হক, ব্যারিস্টার মাহাদী হাসান, ব্যারিস্টার ফারুক, মুজাহিদুল ইসলাম, সাইয়েদ বাকি, মুনসাত হাবিব, সলিসিটর ফারজানা করিম, সালাহ উদ্দিন, আব্দুল মুমিদ জুরু, সাংবাদিক আব্দুল কাইয়ুম, ফয়সাল মাহমুদ, হাসনাত চৌধুরী, বদরুজ্জামান, মাহবুব খানসুর, ফরিদ আহমেদ, রফিকুল ইসলাম এমদাদ, ব্যারিস্টার জুনেদ, ব্যারিস্টার নূরুল গাফ্ফার, ব্যারিস্টার খান আজম, এবিএম রাজিউর রহমান, আইনজীবী মাসুম, হিসাববিদ ইউসুফ আলী ও হান্নান মিয়াজীসহ অনেকে।