শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

জাপানে সুনামির আঘাত, আরও ভয়াবহ ক্ষতির আশঙ্কা

avir80
avir80 প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৫, ১৭:০৪
জাপানে সুনামির আঘাত, আরও ভয়াবহ ক্ষতির আশঙ্কা

রাশিয়ায় ৮ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের জেরে সুনামির ঢেউ আঘাত হানার পর জাপানে রাজধানী টোকিওসহ দেশের উপকূলীয় ও উপকূলের কাছের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ২০ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে জাপান।

সুনামির প্রথম ঢেউ উত্তর জাপানের হোক্কাইডোতে আঘাত হেনেছে। এনএইচকে ওয়ার্ল্ড জাপানের মতে, ঢেউয়ের উচ্চতা ৩০ সেন্টিমিটার (প্রায় ১ ফুট)। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ঢেউ সম্ভবত অন্যান্য স্থানেও আঘাত করেছে।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম সুনামির ঢেউ উত্তর জাপানের হোক্কাইডো প্রিফেকচারের হানাসাকি বন্দরে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এগিয়ে আসছে ভয়াবহ ঢেউ। যা কিছু সময়ের মধ্যে আঘাত হানার শঙ্কা রয়েছে। রাশিয়ায় আঘাত হানা শক্তিশালী ৮ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের জেরে এ সুনামি এগিয়ে আসে। গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প এটি।

প্রথম ঢেউয়ের আকার তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়া সত্ত্বেও এনএইচকে ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, সুনামির ঢেউ সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।

৫০ সেন্টিমিটার ঢেউ ২০০ কেজি (৪৪১ পাউন্ড) পর্যন্ত শক্তি বহন করে এনেছে, যা এক প্রাপ্তবয়স্ককে আঘাত করার জন্য যথেষ্ট।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছে, জাপানের কিছু অংশ ৩ মিটার (৯.৮ ফুট) পর্যন্ত উঁচু ঢেউয়ের কবলে পড়তে পারে।

তবে সুনামির ধাক্কায় জাপানের পরিবহণ ব্যবস্থা এলোমেলো হয়ে পড়েছে। জাপানের প্রশান্ত মহাগারের তীরবর্তী বিমানবন্দর সেন্দাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট তার যাবতীয় অপারেশন বন্ধ করেছে। স্থগিত করা হয়েছে হোক্কাইডো, ওমোরি এবং টোকিও’র মধ্যে ফেরি চলাচল ব্যবস্থাও।

জানা গেছে, বুধবার ভোরে রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের কামচাটকা অঞ্চলে প্রায় ৪ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ভূমিকম্প পরবর্তী তথ্য যাচাইয়ে কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় বড় ধরনের আফটার শক হতে পারে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, মস্কোর সুদূর পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্প আঘাত হানে। পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কির ১৩৬ কিলোমিটার (৮৪ মাইল) পূর্বে ভূমিকম্পটির কেন্দ্র শনাক্ত করা হয়েছে।