কোরবানি ঈদ পর্যন্ত দেশে ভারতীয় গরু নিষিদ্ধ

1965
  |  মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯ |  ১১:১৯ অপরাহ্ণ

দেশ মাংসে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের পর থেকে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।আগে প্রতি বছর ২৪-২৫ লাখ ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঘটলেও ২০১৮ সালে মাত্র ৯২ হাজার গরু ঢুকেছে।তবে এবার দেশের পশু বিক্রেতাদের স্বার্থে ঈদুল আজহা পর্যন্ত সীমান্ত পথে বৈধ-অবৈধ সব ধরনের গবাদিপশুর অনুপ্রবেশ বন্ধ থাকবে।মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেন।এতে সীমান্তে গবাদিপশুর প্রবেশ বন্ধ রাখাসহ ঈদুল আজহার পশুর সংখ্যা নিরূপণ,কোরবানির হাট-বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত পশু ক্রয়-বিক্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা,বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ,পশুর গাড়ি ছিনতাই রোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় জানানো হয়,এবার সারাদেশে কোরবানিযোগ্য ৪৫ লাখ ৮২ হাজার গরু-মহিষ,৭২ লাখ ছাগল-ভেড়া এবং ৬ হাজার ৫৬৩টি অন্যান্য পশুর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর।আসন্ন ঈদুল আজহায় ১ কোটি ১০ লাখ পশুর কোরবানি হতে পারে বলে সভায় জানানো হয়।গত বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মোট সংখ্যা ছিল ১ কোটি ১৫ লাখ এবং কুরবানি হয়েছিল ১ কোটি ৫ লাখ।সভায় আরও জানানো হয়,আসন্ন ঈদে ঢাকাসহ দেশের উল্লেখযোগ্য হাট-বাজারে পশুর স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্যে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।ঢাকায় দুই সিটি কর্পোরেশনের আওতায় মোট ২৪টি স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির হাটবাজারেও কাজ করবে দুটি করে ভেটেরিনারি টিম।এবার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় ১৪টি এবং উত্তরের অধীনে মোট ১০টি হাট বসবে। স্বাস্থ্যহানিকর স্টরয়েড ও হরমোন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে গরু মোটাতাজাকরণ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যসম্মত মোটাতাজাকরণকে উৎসাহিত করতেও প্রাণিসম্পদ অধদিফতর ও সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করবে।আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন,প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ডিজি হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক,প্রাণিসম্পদ গবষেণা ইনস্টিটিউটের ডিজি নাথুরাম সরকারসহ বিভিন্নি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement