লন্ডনে কেমন কাটছে তারেক রহমানের জীবন

0

ইঞ্জিনিয়ার এম আর হাসান  :: বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান । বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ।  একুশ শতকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক প্রতিভাবান, সৃজনশীল উদীয়মান উজ্জ্বল নক্ষত্র, তারুন্যের প্রতিক, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রদুত, তৃনমুল রাজনৈতিক প্রবক্তা।
লন্ডনে দীর্ঘ আট বছর চিকিৎসাধীন  অবস্থায় রয়েছে তারেক রহমান। এর মাঝে যুক্তরাজ্য সহ ইউরোপের বাঙ্গালী কমিউনিটির কাছে আর্দশের প্রতীক হয়ে উঠেছে ।  যাদুর কাঠিতে  যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসীদের মন জয় করতে পেরেছে । যেই যাদুর কাঠি  বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমান  দিয়ে গিয়েছেন । সেই যাদুর কাঠির চমকে লন্ডনের সভা-সমাবেশে নেতাকর্মী সহ সাধারন প্রবাসীদের জোয়ার বেশ লক্ষ্যনীয় ।  আর সেই যাদুর কাঠি হচ্ছে “ভালোবাসা আর আন্তরিকতা” । যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের কাছে  তারেক রহমান মানে হচ্ছে  আগামীর দেশ নায়ক । তার মধ্যে রয়েছে নেতৃত্বের সকল গুনাবলী ।  বাংলাদেশের রাজনীতির ভাগ্যের বরপুত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রনায়ক এর  জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে তারেক রহমান এই দেশের গণমানুষের মুক্তির কান্ডারী হওয়াটাই সহজাত।

তারেক রহমান দল তথা জনগণের অর্পিত ও প্রত্যাশিত গুরু দায়িত্ব মাথায় নিয়ে মাতৃভূমির তরুণ ও তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে রাজনীতি এবং অধিকার সচেতন করে তৃণমূল জনগণের ক্ষমতায়নের মধ্যে দিয়ে সৃজনশীল, সহনশীল ও রাজনৈতিক ঐক্যমতের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রনীতি পরিচালনার ভিত্তিতে দারিদ্রতা ও নিরক্ষরতা মুক্ত করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এক যুগান্তরকারী সাংগঠনিক কর্মসূচী নিয়ে ইতিপূর্বে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়িয়েছিলেন।  স্বনির্ভর , উন্নতরাষ্ট্র ব্যবস্থা , দুনীর্তিমুক্ত সমাজ, আধুনিক পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে সঠিক ভাবে দেশকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে  বর্তমানে যুক্তরাজ্যে প্রবাসীদের দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান । এই কোন তরুণ রাজনীতিবিদ হিসাবে তারেক রহমানই দেশ বিদেশে   একমাত্র আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। 

লন্ডনে কেমন কাটছে  তারেক রহমানের জীবন :
একটি উন্নত শহর  লন্ডন।  গনতন্ত্রের শহর । ভালোবাসার শহর । সর্বোপরি এক ভালোবাসার স্বপ্নপুরি । সেই শহরে বাস করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রীর পুত্র দেশ নায়ক তারেক রহমান । এই ভালোবাসার শহরে  রাজনৈতিক পরিমন্ডলে বেড়ে উঠা যুবরাজটিকে প্রকৃতিই যেন আপন মনে ভালোবাসা ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ঠেলে দিয়েছে।  তারেক রহমানের সাথে লন্ডনের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জনগণ সম্পৃক্ততা জাতীয় রাজনীতিবিদদের জনপ্রিয়তাকে শতগুণ ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে  তারেক রহমানের ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তাই তাঁর প্রতি তথ্যসন্ত্রাস ও হিংসাত্মক আক্রমণের মূল কারণ। কিন্তু ভালোবাসার এই শহরে দিনের পর দিন তার প্রতি সাধারন জনগনের ভালোবাসা বেড়েই চলছে ।

লন্ডনে বছর খানে আগে জাতীয়তাবাদী দলের সমাবেশে তারেক রহমান উপস্থিত । বিকাল ৫টার সময় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা । সেই অনুসারে দলের নেতাকর্মীরা বেথনাল গ্রীনের ইর্য়ক হলে আসা শুরু করেছে । ৪:৩০ মিনিটে সময় তারেক রহমান হলের পেছনে কার পার্কে  উপস্থিত । এমন সময় ততকালীন সাধারন সম্পাদক তাকে স্বাগত জানান । সাধারন সম্পাদক কিছুটা বিব্রত বোধ করতে লাগলেন । অনুষ্ঠান শুরুর অনেক আগেই তিনি সভাস্থলে উপস্থিত  । তবে এতে অবাগ হাওয়া কিছু নেই । লন্ডনের অনুষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী দলের সকল অনুষ্ঠানে তিনি সকলের আগের উপস্থিত হয়ে থাকেন । কারন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সাথে চার দশক ধরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান প্রতিটি নামই এক একটি শব্দের শাব্দিক প্রতিচ্ছবি। সেই থেকে প্রবাসে নিজ দেশের মানুষের সাথে দেখার আকাংক্ষা প্রবল । আর এই সকল নেতাকর্মীদের মাঝে তিনি খুজে পান একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সঠিক নেতৃত্বদান কারী সংগঠকদের । তারেক রহমানের তৃণমূল রাজনৈতিক দর্শনতত্ত্ব দেশপ্রেমে জাগ্রত কোটি কোটি সমর্থকসহ আগামী প্রজন্মকে উদ্দীপ্ত ও সৃজনশীল রাজনীতিমুখী হতে উৎসাহিত করেছে।

সাধারন জীবনযাপনে অব্যস্থ হয়ে উঠেছেন তারেক রহমান । সাদা শাট আর চামড়ার হাত ঘড়ি তার খূব প্রিয় । বিলেতে অনুষ্ঠিত প্রায় অধিকাংশ অনুষ্ঠানে  এই ধরনের পোশাকে দেখা মিলে তাকে । খুব ছোট  করে মাথার চুল কাটিয়ে রাখেন তিনি । নেতাকর্মীদের সাথে স্মিত হেসে সালামের উত্তর দেন । নেতাকর্মীদের সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে তার । কিন্তু তাকে দেখার পর নেতাকর্মীরা হুমড়ি খেয়ে পরেন । এই ধরনের অশোভন আচরন তিনি পছন্দ করেন না । তবে তিনি যখন নেতাকর্মীদের সাথে মিশে যান ,তখন তিনি সিনিয়র জুনিয়ন লিডার লক্ষ্য করেন না । তখন তিনি একজন বাংলাদেশীর সাথে মাটির মানুষ হিসেবে মিশে যেতে চেষ্টা করেন । বিদেশে থাকলেও মনটা পরে থাকে মাতৃভূমি বাংলাদেশের প্রতি । সব ভাবনাচিন্তা জুড়ে থাকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষকে ঘিরে। ২০০৬-১৭ এর যুক্তরাজ্য বিএনপির সম্মেলন উপলক্ষ্যে জোনাল কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদের তারেক রহমান সভা করছিলেন । দুপুরের খাবারের বিরতিতে এক এক করে লাইনে দাড়িয়ে খাবার নিচ্ছেন । কিন্তু প্রধান অতিথি তারেক রহমানের জন্য একটি টেবিলে আরো বেশি খাবারের মেন্যু  দিয়ে  খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল । তারেক রহমান তখন সেই টেবিলের বার্তি আয়োজন  দেখে বসতে রাজি হননি । তিনি সকলের সাথে দাড়িয়ে খাবার নিতে লাইনে দাড়িয়ে গেলেন । এমন সময় এক সাংবাদিক প্লেট হাতে পাশে দাড়িয়ে ছিল । যদিও তারেক রহমান তাকে চিনতে পারেননি । কিন্তু যেহেতু পাশে দাড়িয়ে রয়েছে ,তা দেখে সাংবাদিককে তার সামনে লাইনে দাড়াতে বললেন । এমনি ভাবে তিনি নিজেকে মানুষের মাঝে তুলে ধরেছেন । পৃথিবীর যেখানে গিয়েছেন সেখানেই তিনি নিজেকে সাধারন মানুষ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন ।

বাবা-মা‘য়ের আদরের পিনো লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। পিনো (তারেক রহমান) গত একবছর যাবৎ লাঠি ভর ছাড়া পূর্ব লন্ডনে আসছেন । এর আগে প্রায় টানা ৭ বছর লাঠিতে ভর দিয়ে আস্তে আস্তে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতেন । বিলেতে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) সেবার আওয়াতায় নিজেকে সাড়িয়ে তুলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন । বৃটেনে বিনা অর্থে এনএইচএস এর উন্নত  সার্ভিস গ্রহন করছেন দেশটিতে বসবাসরত সকল নাগরিক । এই সেবার জন্য সিটিজেনশীপের কোন বাধ্যবাধকতা নেই । তেমনি পিনোও সেই সেবা গ্রহন করছেন । যার ফলে তার চিকিৎসা বাবদ কোন অর্থ গুনতে হচ্ছেনা । তবে এখনো তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি। যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাধীন তারেক রহমানের সার্বক্ষণিক সাথী হয়ে আছেন তার সহধর্মিণী প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন  নারী ডা: জুবাইদা রহমান ।  বিলেতে বসবাসরত নাগরিকরা বাসার কাজে বাহিরের অন্য কোন মানুষের সাহায্য পায় না । যার ফলে নিজেদের কাজ নিজেদেরকে করে নিতে হয় । বাজার করা, খাবার কিনা , কাপড়চোপড় ধোয়া, বাসা পরিস্কার করা, আত্মীয় স্বজনদের খাওয়ানো  এমনটি খাবারের পর নিজেদের প্লেটটি ধোয়া । হয়ত এই সকল কাজের ব্যতিক্রম নয় পিনো । বাসায় ডা: জুবাইদা রহমানকে এই ধরনের কাজে সহায়তা করে থাকেন । ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে‘র স্বামী  অক্সফোর্ড গ্রেজুয়েট ফিলিপ জন তার স্ত্রীকে বাসার কাছে সাহায্য করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন তার স্ত্রী সামান্তার রান্নায় সাহায্য করেন । মুলত ব্রিটেনে বসবাসরত সকল নাগরিক তাদের ঘরের কাজে একে অন্যকে সাহায্য করে থাকে । তেমনি তারেক রহমানের সংসারে রয়েছে ডা: জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান ।

লন্ডনে কষ্টকর এই প্রবাসজীবনে তারেক রহমান শারীরিক চিকিৎসা নেয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্রের সূতিকাগার যুক্তরাজ্যের গণতন্ত্র ব্যবস্থাকে অনেক কাছ থেকে দেখেছেন । যার প্রতিফলন ইতিমধ্যে তার দলের ভিতর শূরু করেছেন । এক নেতার এক পদপ্রায় ২ বছর আগে একটি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত তারেক রহমান । সিনিয়র নেতারা তার পাশে বসা । এক এক করে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তুতিতে মশগুল । এমন সময় তারেক রহমান অনুষ্ঠানের নিয়ে আসেন ভিন্ন মাত্রা । এমন সময় তিনি  জানালেন, লন্ডনের সভায়  যারা ৩০০/৪০০ মাইল দুর থেকে নেতাকর্মীরা এসেছেন। তাই তিনি সে সকল নেতাকর্মীদের কথা শুনবেন । এমন সময় অনুষ্ঠানের পরিচালক বক্তৃতার তালিকায় নতুন করে বিভিন্ন জোনের নেতাদের নাম যুক্ত করেন । এই ভাবে বড় কোন জনসভায় তারেক রহমান তৃনমুল কর্মীদেরকে তুলে ধরেন ।

তবে তারেক রহমান কিভাবে বাজার করে তা আমার জানা নেই । তারপরও ব্রিটেনে বাজার করার সিষ্টেমটা সবার জন্য একই ধরনের । তারেক রহমানে বাসার কাছাকাছি (এ এস ডি এ ) সুপারস্টোর অবস্থিত । এই সকল সুপার ষ্টোরের খাবারের দাম বাংলাদেশের চেয়ে কয়েক গুন সস্তা । এক প্যাকেটে ৩২টি ডিম থাকে । যার ব্রিটেনের মুল্য মাত্র ৩ পাউন্ড । বাংলাদেশী টাকায় ৩৫০ টাকার মতই । এছাড়া দুই লিটার দুধ ১৮০ টাকা । সুপার ষ্টোরগুলোতে  ইউরোপ থেকে শাকসবজী নিয়ে আসা হয় ।এগুলোর বাজার মুল্য খুবই সস্তা । তাই বাজার করা ও স্বল্প খরচে কেনাকাটার সুযোগ সুবিধাটা তারেক রহমান পেয়ে আসছেন । তারেক রহমানে  নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচে তেমন কোন অর্থ লাগছেনা । সুতরাং ব্রিটেনে অন্য কয়েকটি সাধারন পরিবারের মতই তিনি বাজার করেন ।

লন্ডনে কষ্টকর এই প্রবাসজীবনে তারেক রহমান শারীরিক চিকিৎসা নেয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্রের সূতিকাগার যুক্তরাজ্যের গণতন্ত্র, নির্বাচনপ্রক্রিয়া, রাজনৈতিক দলীয় কাঠামো, গঠনতন্ত্র ইত্যাদি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার পাশপাশি উন্নত বিশ্বের শিক্ষানীতি, যোগাযোগব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনের কাঠামো সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিয়েছেন আর এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক পড়াশোনাও করছেন। যার ফলে লর্ডস স্টেডিয়াম সহ লন্ডনের অধিকাংশ স্থাপনা সর্ম্পকে রয়েছে তার স্বচ্ছ ধারনা । একটি আধূনিক রাষ্ট্র নির্মানে লন্ডনের বিভিন্ন স্থাপনার কর্তা ব্যক্তিদের সাথে আলাপ করছেন । কিভাবে বাংলাদেশকে  একটি আধূনিক রাষ্ট্রে পরিনত করা হবে । সেই সকল ধারনা ইতিমধ্যে তিনি অর্জন করেছেন।

তারেক রহমান শিশুদের খুবই স্নেহ করেন। ছোট শিশুদের পেলে তিনি নিজেও তাদের সাথে ছেলেমানুষিতে মেতে ওঠেন। তাদের দুষ্টামি হাসিমুখে সহ্য করেন। গত ক্রিসমাসে সেন্ট্রাল লন্ডনের রাস্তায় বাংলাদেশী এক শিশুর সাথে ছবি তুলেন তিনি। ছবিটি সোস্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়ে উঠে । এর আগের বছর যুক্তরাজ্য বিএনপির এক নেতার মেয়ের জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন তিনি । কেক কাটার সময় শিশুটির সাথে বেশ দুষ্টামি করতে দেখা যায় তারেক রহমানকে । খুব মিস করেন আদরের ছোট  ভাসেই সকল ধারনা ইতিমধ্যে তিনি অর্জন করেছেন।ই কোকোকে। আরাফাত রহমান কোকো আর তারেক রহমান দুইজনেই ছিলেন ভাই-অন্তঃপ্রাণ। ছোট ভাই মারা যাওয়ার পর খুব ভেঙে পড়েন তিনি। কিন্তু শিগগিরই নিজেকে সামলে নিয়ে পারিবারিক কর্তব্য পালনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।  বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই মা তাদের দুই ভাইকে স্নেহ-মমতা দিয়ে আগলে রেখেছেন। তাই মায়ের সাথে আত্মার বন্ধনটাও অনেক দৃঢ়। তিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন, বিনা মূল্যে চক্ষুশিবির করেছেন আর নাম না প্রকাশ করে চিকিৎসাসহায়তা দিয়েছেন শত শত মানুষকে। উত্তরাঞ্চলের পানির অভাব মেটাতে করেছেন ‘কমল পানি প্রকল্প’। কৃষকদের সহায়তায় করেছেন ‘কমল বীজ প্রকল্প’।

বাসার খুব সন্নিকটে মসজিদ । আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়  নিয়মিত নামাজ আদায় করেন এই মসজিদে । দলীয় নেতকর্মীসহ পারিবারিক ব্যক্তিবর্গদের রুহের মাগফেরাত কামনায় ব্রিকলেন মসজিদ সহ অন্যান্য মসজিদের মিলাদ-মাহফিলে অংশ গ্রহন করে আসছেন তিনি । এছাড়া যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে অনেক নেতাকর্মী সহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নামাজে জানাযায় উপস্থিত হচ্ছেন তারেক রহমান । সেই সাথে সাংবাদিকসহ অন্যান্য অসুস্থ নেতাকর্মীদেরকে  দেখতে হাসপাতালেও হাজির হচ্ছেন তিনি।  শুধু এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নন তারেক রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির অস্থায়ী ছোট কার্যালয়ে সাধারন নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশের মানুষের কল্যান ও সমৃদ্ধি কামনায় আল্লাহর কাছে বিশেষ দোয়া কামনা করেন তারেক রহমান।

বর্তমান বাংলাদেশের ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র আর মানবাধিকার পরিস্থিতি তাকে বিচলিত করে। ভাবনার অনেকটা জুড়ে থাকে দেশে আন্দোলনরত নির্যাতিত নেতাকর্মীরা। নিয়মিত তিনি ত্যাগী নেতাদের খোঁজখবর রাখেন। যারা সরকারি বাহিনী দ্বারা হত্যা, গুম, খুন, মিথ্যা মামলা হামলার শিকার হচ্ছেন। তার মতে তৃণমূল কর্মীরাই বিএনপির প্রাণ। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে বিশ্বাসী কোটি মানুষের ভালোবাসাই তার রাজনীতির প্রেরণা। অহঙ্কার করার মতো তারেক রহমানের অনেক কিছুই রয়েছে। যার পিতা ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযুদ্ধা ,রাষ্ট্রপতি, সেনাবাহিনী প্রধান আর মা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী অহঙ্কার করা তাকেই মানায়। কিন্তু লন্ডনে তিনি  নিরহঙ্কার অতি সাধারণ। সহজ-সরল জীবনযাপনে অভ্যস্ত তারেক রহমানের নেই কোনো বিলাসী জীবন, খাওয়া-দাওয়ায় নেই কোনো বাহুল্য, পোশাক-পরিচ্ছদে নেই কোনো চাকচিক্য। আর যত কাজই থাকুক না কেন নিয়মিত নামাজ আদায় করেন তিনি।

বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি গনমানুষের তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির স্বপ্নের পুরুষ। ১/১১-এর কুশীলবেরা তারেক রহমানের নেতৃত্বকে ভয় পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নিক্ষেপ করে। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে জর্জরিত করে। রিমান্ডের নামে অমানুষিক নির্যাতন করে আজীবনের জন্য পঙ্গু করে দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কোটি মানুষের দোয়া আর ভালোবাসায় বীরের মুকুটে সোনালী ভোরে উদয়মান সুর্য হয়ে ফিরবে সোনার বাংলাদেশে । এই আমার প্রত্যাশা ।
ভালো থাকুক বাংলাদেশে, এগিয়ে  চলো জাতীয়তাবাদীদল
আসছে তোমাদের রাজপুত্র  – দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান ।

ইঞ্জিনিয়ার এম আর হাসান

collected from: unnbd.com

Share.

Leave A Reply