রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জানাজা শেষে ছায়েদুল হককে গার্ড অব অনার

0

নিউজ ডেস্কঃ প্রয়াত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হকের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন- রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী তোয়ায়েল আহমেদ, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা।জানাজা শেষে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাসহ উপস্থিত সবাই অংশ নেন।পরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রাধানমন্ত্রী মরদেহে শ্রদ্ধা জানান। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভা, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।জানাজার আগে মরহুমের কর্মময় জীবন সম্পর্কে আলোচনা করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম। এ সময় মন্ত্রীর একমাত্র ছেলে ছায়েদুল হকের পক্ষে সবার কাছে ক্ষমা চান ও দোয়া চান।এর আগে সোয়া ৮টার দিকে মরদেহ দক্ষিণ প্লাজায় আনা হয়। কফিনটি জাতীয় পতাকায় ঢাকা ছিল। পরে কফিনটি দক্ষিণ প্লাজায় কালো কাপড়ের ছাউনিতে তোলা হয়। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহটি তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকে মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।প্রসঙ্গত, গত আগস্ট মাস থেকে প্রোস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগলে মন্ত্রীর অপারেশন হয়। ১৬ নভেম্বর থেকে তিনি বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ছিলেন। এরপর বাসায় ফিরে যান। পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে ৫ ডিসেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ ডিসেম্বর থেকে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (আইসিইউ) ১৬ নম্বর বেডে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। শনিবার সকালে তিনি মারা যান।১৯৪২ সালের ৪ মার্চ জন্ম নেওয়া ছায়েদুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে পাঁচ বারের নির্বাচিত এমপি। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা এর আগে খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।

Share.

Leave A Reply