টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

0

স্পোর্টস ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টিতে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এ হারের ফলে টি-টুয়েন্টি সিরিজে ২-০ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হল টাইগাররা।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মিলারের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি ও আমলার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ২২৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা।২২৫ রানের বিশাল টার্গেটে খেলতে নেমে ১৮.৩ ওভারে ১৪১ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। বিশাল টার্গেটে খেলতে নেমে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ওভারে ১৭ রান করে বাংলাদেশ। এ নিয়ে টাইগার শিবিরে কিছুটা আশা জেগে ওঠে। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ২১ রানে।  আর প্রথম তিন উইকেটের পতন হয় দলীয় ৩২ রানে।

চতুর্থ ওভারে সাকিব ও পঞ্চম ওভারে মুশফিক দ্রুত ফিরে গেলে খেলা থেকে এক প্রকার ছিটকে পড়ে টাইগাররা। ষষ্ট ওভারে সাব্বির ফিরে গেলে বাংলাদেশের পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। সাকিব (২), মুশফিকুর রহিম (২) ও সাব্বির রহমানও (৫) দ্রুত সাজঘরে ফিরে গেলেও সৌম্য ছিলেন সাবলীল। তার স্বভাবসুলভ ব্যাটিংয়ে ২৭ বলে ৪৪ রান করে আউট হন। তার ইনিংসটি ছিল ৬টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো। অষ্টম উইকেটে সাইফুদ্দিন-মিরাজ ৩২ রানের জুটি কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি করেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার। মাত্র ৩৫ বলে তিনি এ সেঞ্চুরি করে রেকর্ড পাতায় নাম লেখান। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে এটি সবচেয়ে দ্রুতগতির সেঞ্চুরি। এর আগে রিচার্ড লিভি নামের আরেক প্রোটিয়ান ব্যাটসম্যানের দখলে ছিল সবচেয়ে দ্রুতগতির সেঞ্চুরির রেকর্ডটি। ২০১২ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লিভি ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। মিলারের ব্যাটের আগে এ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে কার্যকর ব্যাটসম্যান ছিলেন হাশিম আমলা। একদিকে যখন উইকেট পড়ছিল অন্যদিকে তখন তিনি রানের চাকা সচল রাখছিলেন। তিনি ৫১ বলে ৮৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

Share.

Leave A Reply