না ফেরার দেশে আবাহনীর অমলেশ

0

স্পোর্টস ডেস্ক: স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য, আবাহনীর খেলোয়াড় ও বর্ষীয়ান কোচ অমলেশ সেন আর নেই। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।শেখ জামালের বিপক্ষে আবাহনীর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগের দিন বিকালে দলের অনুশীলনে ছিলেন অমলেশ। অনুশীলন শেষে ক্লাব প্রাঙ্গণে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা বলেন। দ্রুত বাংলাদেশ মেডিকেলে নেন ক্লাবে উপস্থিত কর্মকর্তারা। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানান। পরবর্তীতে সোহরাওয়ার্দীতে নেয়া হয়। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের চিকিৎসকও একই মন্তব্য করেন।

১৯৪৩ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন অমলেশ সেন। ষাটের দশকে ফায়ার সার্ভিসের হয়ে ঢাকা লীগ খেলেন। ১৯৭০ সালে মোহামেডানে আসেন অমলেশ। ১৯৭১ সালে যোগ দেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে। স্বাধীনতার পর থেকে আমৃত্যু অমলেশ আবাহনীর সঙ্গেই ছিলেন।১৯৭২ থেকে ৮৪ সাল পর্যন্ত খেলোয়াড় হিসেবে ছিলেন। আবাহনী ও মোহামেডান ম্যাচে প্রথম গোলটি করেছিলেন অমলেশ সেন। অনেক সময় খেলোয়াড় কাম কোচের দায়িত্বেও ছিলেন। জাতীয় দলের হয়ে সত্তরের দশকে মারদেকাসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন অমলেশ সেন।আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপু অমলেশের মৃত্যুকে মানতেই পারছেন না। তিনি বলেন, বিকালেও দলের সঙ্গে অনুশীলনে ছিলেন অমলেশ। অনুশীলনের পর ক্লাবে এসে বলছিলেন খারাপ লাগছে। বাংলাদেশ মেডিকেলে নেয়া হলে ডাক্তার জানান হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে। দাদার এমন মৃত্যু আমাদের স্তব্ধ করে দিয়েছে।অমলেশের কোচিংয়ে আবাহনী ফেডারেশন কাপ, প্রিমিয়ার লীগ, পেশাদার লীগ, আসামের বরদলুই ট্রফিসহ অনেক ট্রফি জিতেছে।দেশের এই কৃতী ফুটবলারের প্রয়াণে পৃথক পৃথক বার্তায় শোক জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।শোক জানিয়েছে বিএসজেএ, আবাহনী ক্লাব লিমিটেড, সোনালী অতীত ক্লাব ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

Share.

Leave A Reply