সিলেটে গরু চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ২

0

সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জের পল্লীতে গরু চোরের হাতে শুক্রবার রাতে একজন গৃহকর্তা জিলু মিয়া (৫৫) নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে পুলিশ-গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আরো একজনের মৃত্যু হয়। গ্রামবাসীর অভিযোগ পুলিশের গুলিতে মফিজ মিয়ার (৫০) মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ-সহ কমপক্ষে অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন। আহতদের ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে ডাকাত দলের হামলায় স্থানীয় মোস্তফানগর গ্রামের গৃহকর্তা জিলু মিয়া(৫৫) মারা যান। এ ঘটনার পর গ্রামবাসী সোনাই মিয়া নামের এক ডাকাতকে আটক করেন। খবর পেয়ে শনিবার সকাল ৯টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার এস আই আব্দুর রকিবের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় সোনাই মিয়ার পক্ষে-বিপক্ষে গ্রামের দুদল লোক অবস্থান নেয়। এ নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে গ্রামবাসী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষে এস আই রকিবসহ অর্ধ শতাধিক লোক আহত হন। আহতদের কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত জিলু মিয়ার মেয়েও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গুলিতে মফিজ মিয়া মারা যান বলে তার স্বজন স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুক মিয়া জানিয়েছেন। খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ইউএনও আবুল লেইছ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

লাশ দুটি পুলিশের হেফাজতে এনে ওসমানী হাসপাতালে পোস্ট মর্টেমের জন্য পাঠানো হচ্ছে বলে পুলিশের এএসপি সুঞ্জান চাকমা দুপুরে ইত্তেফাককে জানান। পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে গ্রামবাসী তাদের উপর হামালা চালায়। তখন পুলিশ আত্মরক্ষায় রাজনগর প্রাইমারী স্কুলে গিয়ে আশ্রয় নেয়। এ সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে মফিজ মিয়া নিহত হন।

পুলিশের এসএসপি চাকমা জানান, মফিজ মিয়া গুলিতে না কিভাবে নিহত হয়েছে তা এখুনি বলা যাচ্ছে না। সেখানে বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

Share.

Leave A Reply

two × three =