লন্ডনে রুনা লায়লার গোন্ডেন জুবিলী কনসার্ট আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর

0

ইউকেবিডি ডেস্ক ::  উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা এ বছর তাঁর সংগীতজীবনের অর্ধ শতক পার করেছেন।  ‘শিল্পী আমি’, ‘বন্ধু দিন তিন’, ‘সাধের লাউ, ‘দামা দাম মাস্ত কালান্দার’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে’, ‘দে দে পেয়ার দে’র মতো জনপ্রিয় গানসহ দশ হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই ‘সুর-সম্রাজ্ঞী’।

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর লন্ডনের সিটি প্যাভিলিয়ন হলে শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখবেন রুনা লায়লা। আর এই পুরো আয়োজনটি করছেন ইউকে-ডক্টর শেফ লিমিটেড।

এই আয়োজন সম্পর্কে ইউকে-ডক্টর শেফ লিমিটেড এর পরিচালক ডা. অর্পিতা রায় ও ডা. অর্নিবান মন্ডল বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমরা সবাই রুনা লায়লার গানের ভক্ত। স্কুল ও কলেজ জীবন পেরিয়ে এলেও এখনো রুনা লায়লার গান সমান ভাবে জনপ্রিয়। তার মিউজিক ক্যারিয়ারে ৫০ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই কনসার্টের আয়োজন করছি।
উল্লেখ্য, গানের জগতের সেরাদের দলে নাম লেখালেও সুর স¤্রাজ্ঞী রুনা লায়লার প্রথম হাতেখড়ি কিন্তু হয়েছিল নাচে। বাবার চাকরির সুবাদে থাকতেন পাকিস্তানের করাচিতে। মায়ের আগ্রহেই বুলবুল একাডেমী অব ফাইন আর্টসে ভরতনাট্যম এবং কত্থক নাচের তালিম নেওয়া। কিন্তু তাঁকে যে গানের জগতে আসতেই হতো। বড় বোন দিনা লায়লা গান শিখতেন। ওস্তাদজি বড় বোনকে গান শেখানোর সময় আশপাশেই থাকতেন ছোট্ট রুনা। যে গান শুনতেন তার সুর তুলে ফেলতেন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই। তাঁর এই প্রতিভা বাবা মায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। আর এরপর থেকে গানের তালিম নিতে থাকেন রুনা লায়লা। তখন তাঁর বয়স খুব বেশি হলে চার কি পাঁচ। সেই থেকেই শুরু।

এরপর থেকে রুনার ঝুলিতে জমা হয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। এই সংগীতশিল্পী প্রথম প্লেব্যাক করেছিলেন উর্দু ছবি ‘জুগনু’-তে। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১২। সেটি ১৯৬৫ সালের কথা। এই একই ছবিতে রুনা ১২ বছরের এক ছেলে এবং নায়িকার জন্য গানে কণ্ঠ দেন। ষাটের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের গানে প্রথম কণ্ঠ দেন রুনা লায়লা। প্রথমবারের মতো বাংলা সিনেমায় মাহমুদুন্নবীর সঙ্গে ‘গানের খাতায় স্বরলিপি লিখে’ শিরোনামের দ্বৈত সংগীতে কণ্ঠ মেলান তিনি।

জনপ্রিয় এই শিল্পী এখন পর্যন্ত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন সর্বমোট ছয় বার। অর্জন করেছেন স্বাধীনতা পদক, ভারতের সায়গল পুরস্কার, পাকিস্তানের ক্রিটিকস পুরস্কার, ন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিক পুরস্কার (স্বর্ণপদক) সহ আরও অনেক পুরস্কার। তাঁর সঙ্গে উপমহাদেশের অসংখ্য ভক্ত-শ্রোতার ভালোবাসা তো আছেই।

Share.

Leave A Reply

one × 4 =